সংখ্যালঘু বনাম সংখ্যালঘু
চলেন কুমিল্লার ঘটনাটা উল্টা করে ভাবি, ধরেন বাংলাদেশ হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। সংখ্যাগরিষ্ঠের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজার একটা মণ্ডপে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ রাখার কারণে পূজা মণ্ডপের পবিত্রতা নষ্ট হইছে বলে হাজার হাজার হিন্দু লোক রাস্তায় নেমে মুসলমানদের ধর্মীয় স্থাপনা ভাংচুর করতেছে। বিষয়টা কেমন লাগতো? যার যার ধর্ম তার কাছে পবিত্র। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কোনটা বেশি পবিত্র আর কোনটা কম পবিত্র এই রকম ধারণা স্টাবলিস করা যায়। যারা বাংলাদেশে পূজা করতে দিতে চান না তারাই ইউরোপের কোন দেশে মসজিদ তৈরি হলে আনন্দে ভেসে যান। কেন এই দ্বিচারিতা? জ্যোতিবসু বলেছিলেন ক্ষমতাসীনরা না চাইলে দাঙ্গা হয় না। যদিও বাংলাদেশ বা ভারত কোথাও আসলে দাঙ্গা হয় না যা হয় তা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের ক্ষমতার প্রকাশ ও সংখ্যালঘু নির্যাতন। নাসিরনগরে রসরাজের নামে গুজব ছড়িয়ে হামলার মামলায় চার্জশিটভুক্ত তিনজন আওয়ামী লীগের নৌকার টিকেট পাইছেন। কুমিল্লায় যারা উস্কানি ছড়াচ্ছেন তাদের অনেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। ভোলায়ও একি ঘটনা দেখেছি। যাই হোক, আজকে শারদীয় দুর্গোৎসব এর অষ্টমী। সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা। সবশেষে কবীর সুমনের ভাষায় বলি "আমি চাই ধর্ম বলতে মানুষ বুঝবে মানুষ শুধু।"
নিলয় শাহ্রিয়ার শাহ্রিয়ার কামাল নিলয় একটি মানব ও পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। কাজের অবসরে চেষ্টা করেন নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে। যোগাযোগ করতে পারেন নিম্নোক্ত মাধ্যমে:

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন